তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সপ্তম শ্রেণি — সম্পূর্ণ লেকচার শিট
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মানুষের জীবন, কাজ ও যোগাযোগকে দ্রুত, সহজ ও কার্যকর করেছে। দৈনন্দিন জীবনে ঘরে বসে আবেদন, টিকিট কেনা, টাকা পাঠানো এবং ফলাফল জানার কাজে এর ব্যবহার দেখা যায়। তাই আইসিটির সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও ধারণা জানা প্রয়োজন।
আইসিটির ব্যবহার শুধু ব্যক্তিগত কাজেই সীমাবদ্ধ নয়। কর্মসৃজন, যোগাযোগ, ব্যবসা, সরকারি কর্মকাণ্ড, চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা রয়েছে। নিচের পরিভাষাগুলো এই ব্যবহার ও গুরুত্ব বুঝতে সহায়তা করবে।
শব্দ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
সংজ্ঞা: মানুষের জীবন, কাজ ও যোগাযোগকে দ্রুত, সহজ ও কার্যকর করার প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলা হয়।
সহজ অর্থ: কাজ ও যোগাযোগ সহজ করার প্রযুক্তিই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
শব্দ: একমুখী যোগাযোগ
সংজ্ঞা: আইসিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের ধারণাকে একমুখী যোগাযোগ বলা হয়।
সহজ অর্থ: যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধরন হলো একমুখী যোগাযোগ।
শব্দ: দ্বিমুখী যোগাযোগ
সংজ্ঞা: আইসিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের ধারণাকে দ্বিমুখী যোগাযোগ বলা হয়।
সহজ অর্থ: যোগাযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধরন হলো দ্বিমুখী যোগাযোগ।
শব্দ: আউটসোর্সিং
সংজ্ঞা: আউটসোর্সিং আইসিটির শেখার বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি ধারণা।
সহজ অর্থ: আইসিটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি শেখার বিষয় হলো আউটসোর্সিং।
শব্দ: টেলিমেডিসিন
সংজ্ঞা: টেলিমেডিসিন আইসিটির শেখার বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি ধারণা, যার সঙ্গে চিকিৎসার ক্ষেত্রে আইসিটির ভূমিকার সম্পর্ক রয়েছে।
সহজ অর্থ: চিকিৎসার ক্ষেত্রে আইসিটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয় হলো টেলিমেডিসিন।
শব্দ: ই-পর্চা
সংজ্ঞা: ই-পর্চা আইসিটির শেখার বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি ধারণা।
সহজ অর্থ: আইসিটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয় হলো ই-পর্চা।
শব্দ: ই-বুক
সংজ্ঞা: ই-বুক আইসিটির শেখার বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি ধারণা।
সহজ অর্থ: আইসিটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয় হলো ই-বুক।
শব্দ: ই-পুর্জি
সংজ্ঞা: ই-পুর্জি আইসিটির শেখার বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি ধারণা।
সহজ অর্থ: আইসিটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয় হলো ই-পুর্জি।
শব্দ: ওয়েব কনফারেন্সিং
সংজ্ঞা: ওয়েব কনফারেন্সিং আইসিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।
সহজ অর্থ: আইসিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ শেখার বিষয় হলো ওয়েব কনফারেন্সিং।
এই পরিভাষাগুলোর সঙ্গে আইসিটির ব্যবহার ও গুরুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। আইসিটির ব্যবহারে উৎপাদনশীলতা, সেবার মান এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয় ব্যাখ্যা করা যায়। ফলে যোগাযোগ, ব্যবসা, সরকারি কর্মকাণ্ড, চিকিৎসা ও গবেষণায় আইসিটির ভূমিকা বুঝতে এই ধারণাগুলো একসঙ্গে শেখা দরকার।
